বিশেষ সংবাদ:

ঢাকা মেডিকেলে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. এজাজ

Logoআপডেট: মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর, ২০১৭

এবি প্রতিবেদক
একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে সারাদেশে দারুণ জনপ্রিয় ডা. এজাজুল ইসলাম। হুমায়ূন আহমেদের হাত ধরে ছোটপর্দায় পা রেখেছিলেন তিনি। এরপর দেখা গেছে বড়পর্দায়ও।

 

দীর্ঘদিন ধরে নাটক ও চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে জড়িত এবং লেখক হুমায়ূন আহমেদের একান্ত সান্নিধ্যে থেকে অভিনয় অঙ্গনকে আলোকিত করে রেখেছেন এই গুণী তারকা। হুমায়ূন আহমেদের নির্মিত সিংহভাগ নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। একই সঙ্গে পেশাগতভাবে যুক্ত আছেন চিকিৎসক হিসেবেও।  

 


চিকিৎসা পেশায় নিয়মিত হলেও এ নিয়ে খুব একটা আলোচনা হয় না। সম্প্র্রতি তার চিকিৎসা ক্যারিয়ারে নতুন পালক যোগ হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান হয়েছেন এজাজুল। খবরটি জানালেন নির্মাতা অনিমেষ আইচ। পাশাপাশি দুঃখ করেন এমন একটি অর্জন সংবাদমাধ্যমে তেমন গুরুত্ব পায়নি। ‘ভয়ংকর সুন্দর’ নির্মাতা মঙ্গলবার সকালে ফেসবুকে লেখেন, ‘দেশের মানুষের কাছে তিনি একজন স্বনামধন্য অভিনেতা পাশাপাশি একজন সুচিকিৎসক। সম্প্রতি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হয়েছেন, অবশ্যই এটি আমাদের জন্য গর্ব ও আনন্দের। কিন্তু এ নিয়ে কোন সংবাদ দেখলাম না কোন পত্রিকা কিংবা টেলিভিশন চ্যানেলে। অথচ কার সঙ্গে কার ডিভোর্স হলো, কার সুন্দরী হওয়ার নেপথ্য ইতিহাস কী? এ নিয়ে জাতির মাথা ব্যাথার অন্ত নাই।’ অনিমেষ আরো বলেন, ‘মিডিয়ার মানুষদের বিজয়ের গল্প ও সাধারণ মানুষদের জানা দরকার। এ ইতিহাস কেবল কিছু বিভ্রান্তির গল্পে সীমাবদ্ধ নয়। অভিনন্দন এজাজ ভাই।’ এজাজুল ইসলাম ১৯৮৪ সালে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিউক্লিয়ার মেডিসিনে স্নাতকোত্তর পাশ করেন। হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ধারাবাহিক নাটক ‘সবুজ সাথী’ দিয়ে অভিনয়ের যাত্রা শুরু এজাজুল ইসলামের। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’। তিনি ‘তারকাঁটা’য় অভিনয়ের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্র অভিনেতার স্বীকৃতি পান।