বিশেষ সংবাদ:

সামাজিক-রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে আবৃত্তি শিল্পের ভূমিকা

Logoআপডেট: শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০১৩
এবি প্রতিবেদক
মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের সকল প্রগতিশীল আন্দোলনে আবৃত্তিঅঙ্গন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। স্বাধীনতার পর থেকেই আবৃত্তি চর্চা জনপ্রিয় হতে থাকে। তবে হঠাৎ করেই এর উত্থানের আবির্ভাব নয়। এর শৈল্পীক চর্চা তারও বহু আগে থেকেই শুরু হয়।
 মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে, প্রগতির পক্ষের আদর্শ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন নতুন আবৃত্তি সংগঠন গড়ে উঠছে এবং তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সময় ও রাষ্ট্রিয় সার্বিক মূল্যায়নের পশ্চিমবঙ্গে আবৃত্তিশিল্পীদের দায়বদ্ধতার  তুলনায় বাংলাদেশের আবৃত্তিশিল্পীদের দায়বদ্ধতা অনেক বেশি।
 সে দ্বায় থেকেই আমাদের সমাজের বিবর্তনে তাদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দায়বদ্ধতার বিষয়ে তাদের সচেতনও জাতীকে সাহসীকতা জুগিয়েছে। আবৃত্তিশিল্পীরা স্বাধীনতা সংগ্রামে ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও রেখেছেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতের ওপর দাঁড়ানোই হচ্ছে একজন শিল্পীর প্রকৃত কাজ। দেশের সকল সংকটে আবৃত্তিশিল্পীরা তেমনি ভূমিকা রেখে চলছে আপন মহিমায়। তবে আমাদের বিনোদনের অন্যান্য মাধ্যমগুলোর মতোই আবৃত্তিশিল্পী বা আবৃত্তি সংগঠনগুলো সরকারী-বেসরকারী পৃষ্ঠপোষকতা থেকে বরাবরই বঞ্চিত। সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ এই শাখাটির বিকাশ-বিস্তারে এখানে পৃষ্ঠপোষকতা দিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও উদার ও আন্তরিক হতে হবে।