বিশেষ সংবাদ:

সব কাজে দেরি করা মানুষ অধিক সৃজনশীল!

Logoআপডেট: শুক্রবার, ০৪ মার্চ, ২০১৬

এবি ডেস্ক
যারা সব কাজে দেরি করেন তারা নাকি অধিক সৃজনশীল! কিন্তু এই সৃজনশীলরাই প্রতিনিয়ত নানাভাবে হেনস্ত হয় শুধু দেরির কারণেই।

 

সব কাজে দেরি করাকে কেউ কেউ একপ্রকার রোগ এবং মানসিক সমস্যা হিসেবেও মনে করে থাকেন।

 

যারা দেরি করেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অধিক সতর্কতা সর্ত্ত্বেও নিজের অনিচ্ছায় তাদের দেরি হয়ে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি, ক্লাসে যেতে দেরি, দেরিতে অফিসে যাওয়ার জন্য প্রতিদিনই বসের বকা খেতে হয়।  আপনার সাথে এসব উপসর্গ যদি মিলে যায়, তাহলে আপনার জন্য  আছে একটি সুখবর.....

বৈজ্ঞানিক গবষেণা বলছে, যারা জীবনের সর্বক্ষেত্রে দেরি করে, তারা বেশি সৃজনশীল, জীবন সম্পর্কে বেশি আশাবাদী এবং একসাথে বেশ কয়েকটি কাজ করার ক্ষমতা রাখে। যদিও সাময়িকভাবে তাদেরকে বিভিন্ন সমস্যা ও বিদ্রুপের মুখোমুখি হতে হয়, কিন্তু দূর ভবিষ্যতে এটা তাদের জন্য ভালো।

সান ডিয়েগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের গবেষণায় যারা সব কাজে দেরি করে তাদেরকে ‘টাইপ বি’তে ফেলা হয়েছে।  ‘টাইপ বি’ হচ্ছে সে ধরনের মানুষ যারা জীবনের প্রতিটি বিষয়ে আশা খুঁজে পায় এবং ছোটখাটো সমস্যায় অস্থির বা হতাশ হয় না।

‘নেভার বি লেট এগেইন’ বইয়ের লেখক ডায়ানা ডি লঞ্জার তার বইয়ে লিখেছেন, “যারা দেরি করেন, তারা ভালো বা খারাপ সব কাজেই দেরি করে। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, মানুষের দেরি করা নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা হয়েছে, যেখানে তাদেরকে সৃজনশীল বলা হয়েছে। তবে অনেক বিশেষজ্ঞ এ মতের সাথে একমত যে, যারা জীবনের সবক্ষেত্রে দেরি করেন, এটা তাদের মানসিক বা ব্যক্তিত্বের দোষ নয়। বরং এটা তাদের মস্তিস্কের সমস্যা। দেরি করাটা তাদের মস্তিস্কে ‘হার্ডওয়্যার’ করা আছে।”

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রবন্ধে এ লেখককে উদ্বৃত করে বলা হয়েছে, ‘সহকর্মীর দেরিকে ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া উচিত নয়। তারা দেরি করে আসে, তার মানে এই নয় যে, তাদের কাছে সময়ের গুরুত্ব নেই অথবা এমনও নয় যে, তারা সবার দেরিতে অফিসে ঢুকে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায়।’