বিশেষ সংবাদ:

বিশ্বের সবছেয়ে ছোট দেশে মাত্র তিনজন নাগরিক!

Logoআপডেট: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৪

এবি ডেস্ক
বিশ্বের সবছেয়ে ছোট দেশের সন্ধান মেলল। ক্ষুদ্রতম এ দেশটির নাম প্রিন্সিপালিটি অব সিল্যান্ড। এতে জনসংখ্যা মাত্র তিনজন।

 

জনসংখ্যা কম হলেও, দেশটিকে ছোট করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। দেশটির নিজস্ব পতাকা, পাসপোর্ট, মুদ্রা সবই রয়েছে। এমনকি দেশটির একটি রাজধানীও রয়েছে। রাজধানীর নাম এইচ এম ফোর্ট রাফস।

 

ব্রিটেনের সাফল্ক সমুদ্রের ধারে দেশটি অবস্থিত। ক্ষুদ্রতম এই দেশটির মোট আয়তন ৫৫০ বর্গমিটার। দেশটিতে ইংরেজি ভাষা প্রচলিত এবং মুদ্রার নাম সিল্যান্ড ডলার। বাইরের কোনো দেশে এই মুদ্রা চলে না।

 



মূলত এই দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত একটি সমুদ্র বন্দর। জার্মান সেনারা যে কোন সময় ইংল্যান্ড আক্রমণ করতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী ইংল্যান্ডের উপকূলে দুর্গ বানানোর পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, উপকূল থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে বানানো হয় মাউনসেল সি ফোর্ট।

 

এখান থেকে শত্রুদের রণতরীর উপর নজরদারি চালানো হত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে অন্যান্য অসংখ্য দুর্গের সঙ্গে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এটিকেও পরিত্যক্ত ঘোষণা করে।

 


১৯৬৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ নাগরিক মেজর প্যাডজ রয় বেটস ও তাঁর পরিবার এই দ্বীপের স্বত্বাধিকারী হন। তারপর তাঁরাই একে একটি স্বাধীন মাইক্রো রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেন। পৃথিবীর কোনও দেশ এখনও সিল্যান্ডকে স্বীকৃতি না দিলেও কেউ তাদের বিরোধিতাও করেনি। মজার কথা হল, মোট জনসংখ্যার তিনজনই বেটস পরিবারের সদস্য এবং যথাক্রমে তারা এই রাজ্যের রাজা, রানি এবং রাজপুত্র।