বিশেষ সংবাদ:

একজন দক্ষ প্রশাসক হতে চায় রাশেদ

Logoআপডেট: শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

বিশেষ প্রতিবেদক

রাশেদ হোসেন লক্ষ্মীপুরের মেধাবী শিক্ষার্থী। গেল এইচ.এস.সি পরীক্ষায় লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ থেকে জি.পি.এ-৫ প্রাপ্ত ও টহরধরফ লক্ষ্মীপুর শাখা কোচিং সেন্টারের সেরা ছাত্র হওয়ার গৌরব অর্জন করে সম্ভাবণাময় এই কিশোর।

 

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে “খ” ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায়ও কৃতিত্বের সাথে উর্ত্তীণ হয়েছে দৃঢ় মনশক্তির এ শিক্ষার্থী। ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় “খ” ইউনিটের ফলাফল প্রকাশে রাশেদ হোসেন মেধাতালিকায় ৩৬৯ তম স্থান দখল করে।

 

একই সাথে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও ভর্তি পরিক্ষায় সম্মানজনক স্থানে উত্তির্ণ হয় রাশেদ। বলা যায়, লক্ষ্মীপুরের প্রজ্জ্বলীত এক কিশোর আলোকশিখার নাম রাশেদ হোসেন। তার পিতা-ওবায়দুল হক লক্ষ্মীপুরের একজন বিশিষ্ট ব্যবাসায়ী। মাতা-হোসনেয়ারা বেগমের অনুপ্রেরনায় নিজের মেধাকে শানিত করার সুযোগ পেয়েছে সে। পরিবারে ৩ ভাইয়ের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ রাশেদ।

 

বড় ভাই মো: ইউছুফ লক্ষ্মীপুরের একজন তরুণ সংবাদকর্মী। তিনি সংবাদ সংস্থা ‘আমার বিনোদন ডট কম’ লক্ষ্মীপুর ব্যুরো প্রধান, জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত বিচিত্রা পত্রিকার স্টাপ রিপোর্টার এবং লক্ষ্মীপুর জেলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি। মোজো ভাই মো: রাকিব হোসেন মনোনিবেশ করেছে ব্যবসায়। রাশেদ হোসেন বরাবরই স্কুল জীবন থেকে কখনোই দ্বিতীয় হয়নি। প্রথমস্থানই যেন তার নিত্য ছায়াসঙ্গী। তারই ধারাবাহিকতায় লক্ষ্মীপুর আর্দশ সামাদ একাডেমি থেকে অষ্টম শ্রেনীতে বৃত্তি, ২০১৪ সালে মানবিক বিভাগ হতে এস.এস.সি পরীক্ষায় জি.পি.এ-৫ এবং লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ মানবিক বিভাগ হতে ২০১৬ সালে এইচ.এস.সি পরীক্ষায় জি.পি.এ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী রাশেদ অর্জন করে সনামধন্য এই বিদ্যাপীঠের বিভাগীয় সেরা ছাত্রের সম্মান।

 

তার এই কৃতিত্বে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ সোলেমান, টহরধরফ লক্ষ্মীপুর শাখায় কোচিং সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মানস চন্দ্র দাস সৌরভ-সহ টহরধরফ পরিবারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন এবং সম্ভাবনাময় এই কৃতি শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করা হয়। তাকে নিয়ে পরিবার ও আত্মিয়-স্বজনদের মধ্যেও রয়েছে ব্যপক প্রত্যাশা।

 

রাশেদ প্রসঙ্গে তার বড় ভাই মো: ইউছুফ জানান, ‘ছোট বেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি রাশেদের খুব ঝোঁক রয়েছে। নিরলস অধ্যাবসায়ের মধ্য দিয়ে সে এগিয়ে চলছে। আমরা পরিবারের প্রত্যেকে পড়াশোনার বিষয়ে তাকে সর্বাত্মক সহায়তার পাশাপাশি বেশ উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছি। সকলের আশির্বাদে রাশেদ আগামীদিনেও ভালো ফলাফলের মাধ্যমে জেলার মুখ উজ্জ্বল করবে বলে তার বিশ্বাস।’

 

সবার এই নিরন্তর চাওয়াকে সার্থক করতে চান রাশেদ নিজেও। রাশেদ নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নিয়ে জানায়, একজন দক্ষ প্রশাসক হতে চায় সে। একই সাথে দেশত্ববোধ সম্পন্ন একজন মানবিক মানুষ হিসেবে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করাই তার জীবনের একমাত্র চাওয়া। পড়াশোনার সাফল্যের জন্য সে তার মা এবং পরিবারবর্গসহ শিক্ষকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানায়। ‘আমার বিনোদন’ পরিবারের পক্ষ থেকে মেধাবী এই শিক্ষর্থীকে সিগ্ধ অভিবাদন।