বিশেষ সংবাদ:

ভর্তি জালিয়াতির অভিযোগে জাবিতে ৫জন আটক

Logoআপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

এবি প্রতিবেদক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের বিজনেস স্টাডিজ অনুষঙ্গভুক্ত ‘ই’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ার সময় এবং জালিয়াত চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ পাঁচ জনকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনিস্টিটিউট অব এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ এর তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আসপার সাজিদ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টায় প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা কেন্দ্র থেকে পরিক্ষা প্রক্সি দেওয়ার সময় কর্তব্যরত শিক্ষক তাকে আটক করে।


একই ঘটনায় আটককৃত অন্য চারজন হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব হাসান, আইন বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ইকবাল হোসেন ও রোকন এবং ভর্তিচ্ছু অনিক ভূঁইয়ার বড় ভাই কামাল হোসেন।

সূত্র জানায়, প্রবেশপত্রে ছবি পরিবর্তন করে প্রক্সি দিতে এসে আটক হন আসপার সাজিদ। পরে সাজিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে সাকিব হাসানকে এবং সাকিবের মোবাইলে ফোনে আদান প্রদানকৃত এসএমএস ও কললিস্ট দেখে ইকবাল হোসেন ও ভর্তিচ্ছু অনিক ভূঁইয়ার বড় ভাই কামাল হোসেনকে আটক করা হয়।

 

এ বিষয়ে আসপার সাজিদ জানায়, ‘সাকিবের প্ররোচনায় সে অনিক ভূঁইয়া নামে এক পরীক্ষার্থীর হয়ে প্রক্সি দিতে আসে।’

এদিকে, জিজ্ঞাসাবাদে সাকিব জানান, ‘শহীদ সালম বরকত হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাজুর ধরা পড়লে কোনো সমস্যা হবে না এমন আশ্বাসে তিনি সাজিদকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে আসেন।’

 

তবে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করে রফিকুল ইসলাম রাজু বলেন, ‘কলেজে পড়াকালীন সাকিব আমার বন্ধু ছিল মাত্র। সে আমার রুমে এসে রাতে ছিল। আমি এ ব্যপারে আর কিছু জানি না।’
প্রক্টর টিমের কাছে তার স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরলে প্রক্টর টিম তার কাছে লিখিত মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন। এরপর রাত আটটায় আটক পাঁচ জনকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

 

এদিকে, একই দিনে পরীক্ষায় খাতা বদলসহ পরীক্ষায় অসুদুপায় অবলম্বনের নানা অভিযোগে রিয়াজ মোর্শেদ অন্তু, সুমন আহমেদ ও রিফাত আরা নামের আরো তিন ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে তাদের ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র বাতিল করে ও মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।