বিশেষ সংবাদ:

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঠাঁই দিতে জাতিসংঘের চাপ

Logoআপডেট: শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৬

এবি ডেস্ক
মিয়ানমারের সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা মানুষদের জন্য বাংলাদেশ যেন নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে। সে লক্ষে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের সীমান্ত খোলা রাখার আহ্বান জানিয়েছ জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।


ইউএনএইচসিআর এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। মিয়ানমারের সরকারকে সেখান মানুষদের নিয়ম অনুযায়ী রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সাথে সেখানকার সহিংস পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে যারা বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করছে তাদের জন্য বাংলাদেশ সরকার যেন নিরাপদ আশয়ের ব্যবস্থা করে সে বিষয়ে আহ্বান জানিয়েছে।


এদিকে বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমার সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে আজ আরো তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। গত ৯ই অক্টোবর মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্ত চৌকিতে এক হামলার জের ধরে অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। মিয়ানমারের মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইন প্রদেশের গ্রামগুলোতে এদিন অন্তত ৬৯ জনকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে দেশটির সেনাবাহিনী। রাখাইন প্রদেশে সম্প্রতি শুরু হওয়া বিদ্রোহ দমনের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছ বলে স্বীকার করছে সেনাবাহিনী।


এরপর থেকেই সেখান থেকে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশের টেকনাফে ঢোকার চেষ্টা করে অনেক রহিঙ্গা। এদিকে নাফ নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের ঢোকার সম্ভাব্য সকল পথে নজরদারি জোরদার করেছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড। নজরদারি বাড়াতে শুক্রবার আরো তিন প্লাটুন সৈন্য মোতেয়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির দুই এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আবু জার আল জাহিদ। তিনি বলেন, শতভাগ নি:ছিদ্র করা না গেলেও সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের পথগুলোতে নজরদারি বাড়ানে হয়েছে।


বিজিবির এই সদস্য জানান, গত বুধবার রাতে ১৬ জনের একটি দল নদীপথে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করলে তাদেরকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কিনা সেটা নিশ্চিত করেননি তিনি। তবে স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে গতকাল রাতেও ৭৮ জনের একটি দল প্রবেশ করার চেষ্টা করলে তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয়।