বিশেষ সংবাদ:

দ্রুত আধুনিক নৌ বন্দর বাস্তবায়নের দাবী লক্ষ্মীপুরবাসীর

Logoআপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৭

মোঃ ইউছুফ, লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীর হাটে হতে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও আধুনিক নৌ-বন্দর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি লক্ষ্মীপুর সফরের সময় এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরিকল্পিত এ বন্দর নির্মিত হলে অবহেলিত এ জনপদের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ নৌ-বন্দরের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য দাবি জানিয়েছে লক্ষ্মীপুরবাসী।

এতে এ জেলার সঙ্গে বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনা বিভাগের মানুষের যোগাযোগ নতুন মাত্রা পাবে। একই সাথে কোটি মানুষের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের এই সেতুবন্ধন আরো প্রসারিত হবে। এমন কী মানুষের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকার সমস্যা লাঘব হবে।
মজু চৌধুরীর হাট ও আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, সরকার নৌ-বন্দর নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণ করবে। বন্দর নির্মাণে সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন বলে সরেজমিনে তথ্য নিয়ে জানা গেছে । এ জন্য তাদের বসবাসের জমি ও স্থাপনার বর্তমান বাজারমূল্য পেতে চান। পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারগুলোকে সরকারিভাবে পুনর্বাসনের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুর শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে মজু চৌধুরীর হাটের অবস্থান। নৌ-পথে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ২১টি জেলার যোগাযোগের অন্যতম কেন্দ্র এটি। মেঘনাপাড়ের এ জনপদের অধিকাংশ মানুষই কৃষিনির্ভর। ব্যবসা-বাণিজ্যে তারা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। এখানে বন্দর নির্মিত হলে অবকাঠামোর পাশাপাশি আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটবে বেল মেন করেছন সবাই।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও আধুনিক নৌ-বন্দর নির্মাণে হবে মজু চৌধুরীর হাটে। তবে কত টাকা ব্যয়ে বন্দর নির্মিত হবে সে বিষয়ে জানা জায়নি।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু বলেন, ‌‌'লক্ষ্মীপুরে নৌ-বন্দর নির্মিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমানের ব্যাপক পরিবর্তন এবং বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। দ্রুত এ বন্দর নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে জেলাবাসী দাবি জানাচ্ছে।'

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোহাম্মদ নোমান বলেন, 'এ বিষয়ে নৌমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সরকার আধুনিক নৌ-বন্দর নির্মাণ প্রকল্পের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রক্রিয়া শেষে শিগগিরই কাজটি শুরু করা হবে বলে আশা করছি।'
এ প্রসেঙ্গ নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান জানিয়েছেন, মজু চৌধুরীর হাটে দেশের আধুনিক নৌ-বন্দর নির্মাণ হবে। ইতোমধ্যে সেখানে অবকাঠামো তৈরি, রাস্তা ও টার্মিনালকে সুন্দরভাবে নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে। প্রয়োজনীয় টাকা বরাদ্দ পেলে শিগগিরই কাজ শুরু করা হবে বলে জানান তিনি