বিশেষ সংবাদ:

৮ ফাল্গুন

Logoআপডেট: শনিবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু

সে দিন ছিলো ৮ ফাল্গুন
ভাষার জন্য দিয়েছিল প্রাণ।

উপেক্ষা করেছিলো একশো চুয়াল্লিশ ধারা
করেছিলো সভা সমাবেশ মিছিল
কার্জন ক্যাফেটেরিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা মেডিকেল চত্বর, আশপাশের এলাকা
সমগ্র বাংলাদেশের
সে কালের পূর্ব পাকিস্তানের একটাই দাবী ,

“রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই”

পাকিস্তান জান্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বললো,
হবে না হবেনা ,"উর্দুই হবে রাষ্ট্র ভাষা "
মানেনি সোনার ছেলেরা,বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র- ছাত্রীরা
পেশাজীবী,শিক্ষক,উকিল,মোক্তার
কুলি মুজুর ,সাধারণ জনতা ,না হতে পারে না
বায়ান্নোর একুশ ফেব্রুয়ারী ,
মায়ের ভাষার রক্ষায়
করফিউ উপেক্ষা করে
ওরা বেরিয়ে এলো রাস্তায় .
হায়েনা চালালো টিয়ার গ্যাস ,চালালো গুলি
ঠাস-ঠাস গুলিতে লুটিয়ে পড়লো
আসাদ ,রফিক, জব্বার ,সালাম ,বরকত
রক্তে লাল হয়েছিলো পিচ ঢালা রাজ পথ।
ওরা শহীদ হলো।

সে দিন ছিলো ৮ ফাল্গুন
ভাষার জন্য দিয়েছিল প্রাণ
ওরা আমার ভাই ,ওরা আমার ভাষা সৈনিক
বাংলা ভাষা, মায়ের ভাষার জন্য
অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছিলো প্রাণ।

সারা বিশ্বে একুশ ফেব্রুয়ারী ,
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পালিত হচ্ছে
কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে
আমার মায়ের ভাষার ৮ ফাল্গুন !

একুশ এলেই হচ্ছে স্মৃতি চারণ
শ্রদ্ধায় শ্রদ্ধাঞ্জলি হচ্ছে নিবেদন
ইংরেজি তারিখে !

ভুলে গেছে ৮ ফাল্গুন
ভাষার জন্য দিয়েছিল প্রাণ
ওরা আমার ভাই, ওরা আমার ভাষা সৈনিক ।
বাংলা ভাষা, মায়ের ভাষার জন্য
অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছিলো প্রাণ।

পেরেছি কি?
পারিনি রাখতে শহীদি আত্মার মান-সন্মান ,
বাংলার খ্যাতি ভাষার সুনাম ?
বাবর আলী বড় পেরেশান।

সিঙ্গাপুর, ৬-২-২০১৬