বিশেষ সংবাদ:

রোহিঙ্গাদের নিয়ে মাঠপর্যায়ে গবেষণামূলক নানা আয়োজন

Logoআপডেট: শনিবার, ২১ জুলাই, ২০১৮

এবি প্রতিবেদক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে রোহিঙ্গা শরণার্থী জীবনের দুঃখ-কষ্ট, লড়াই, ইতিহাস, ক্ষোভ ও হতাশা নিয়ে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন গবেষণা, প্রশিক্ষণ, সংলাপ ও পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।
গেল বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এবং এ বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে কয়েক দফা গবেষণার শেষ ভাগে এসে এর সাথে যুক্ত হয়েছিলেন সমকালীন বিশ্ব পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক নাটকের বিশেষজ্ঞ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, গবেষক ও নির্দেশক ড. ডেরেক গোল্ডম্যান।

এরপর নাট্যজন ড. ইসরাফিল শাহীন তাঁর ‘পাঁজরে চন্দ্রবান’ নাটকটির মাধ্যমে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অশ্রুভেজা দুঃখকে বাংলাদেশ ও বিশ্ব দরবারের কাছে পরিচয় করিয়ে দেন।
গবেষণা, প্রশিক্ষণ, সংলাপের মধ্য দিয়ে প্রাণবন্ত পরিবেশনার ধারাবাহিকতায় আজ ২১ জুলাই থেকে আবারও টানা তিনদিন রোহিঙ্গা জনসাধারণকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন পারফরমেন্সে অংশ নিবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরে থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের এম এ বর্ষের শিক্ষার্থীরা। কক্সবাজারের কুতপালং, উখিয়া, টেকনাফের শরণার্থী শিবির ও সমুদ্র সৈকতে চলবে বিশেষ এই পরিবেশনা।

এর আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে গত ১৯ জুলাই জিয়া হায়দার স্টুডিওতে ‘নাট্য ভ্রমণ : অন্তর্গত জীবনের সহজিয়া উন্মোচন’ শিরোনামে পারফরমেন্সের মুখোমুখি হয়ে অভিনেতার আত্মকথন পদ্ধতিতে যৌথভাবে অংশ নেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরে থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ।
যার সৃজন ভাবনায় ছিলেন নাট্য নির্দেশক অধ্যাপক ড. ইসরাফিল শাহীন এবং একই বিভাগের শিক্ষক শাহমান মৈশান। আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান শামীম হাসান।

এ প্রসঙ্গে ড. ইসরাফিল শাহীন বলেন, ‘শিল্পের মুক্ত ভাষায় জ্ঞানের বিচিত্র পদ্ধতির সংমিশ্রণে দেশীয় ও বৈশ্বিক জীবন-ভাবনায় বোধ সৃষ্টি করাই থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের অন্যতম লক্ষ্য। তারই ধারাবাহিক প্রয়াসে আমাদের এবারের নাট্য ভ্রমণ। আশাহীন-ঘরহীন-রাষ্ট্রহীন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে এখনও ভীতি, শূন্যতা, একাকীত্ব গ্রাস করে আছে।
তাদের বর্তমান অবস্থা থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে শরণার্থী জীবনের দুঃখ-কষ্ট, লড়াই, ইতিহাস, ক্ষোভ, হতাশাগুলোকে থিয়েটারের যে অপার সম্ভাবনা, সামাজিক শক্তি ও নান্দনিকতা আছে তার মাধ্যমে প্রকাশ করাটাই আমাদের লক্ষ।’