বিশেষ সংবাদ:

ঢাকার নাটকপাড়ায় নান্দীমুখের ‘আমার আমি’

Logoআপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

এবি প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের স্বনামধন্য নাট্য সংগঠন নান্দীমুখের অন্যতম আলোচিত প্রযোজনা ‘আমার আমি’। নতুনত্ব এবং ব্যতিক্রমী উপস্থাপনার জন্য শুরু থেকেই দর্শক-সমালোচকদের মাঝে নাটকটি বেশ সাড়া ফেলে। শুধু চট্টগ্রামেই নয় ঢাকার দর্শকদের কাছেও নাটকটি ব্যাপক সমাদৃত।

সেই ধারাবাহিকতায় আগামীকাল ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ঢাকার মঞ্চে প্রদর্শিত হবে দর্শকনন্দিত এ নাট্যাখ্যান। নাটকপাড়া-খ্যাত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটার হলে সন্ধ্যে ৭টায় মঞ্চস্থ হবে সাড়া জাগানো এ নাটকটি।

‘আমার আমি’ রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রধান অসীম দাশ। এতে প্রাণবন্ত একক অভিনয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে চলছেন দীপ্তা রক্ষিত। নাটকের আবহ পরিকল্পনা করেছেন দেবাশীষ রায়। দলের ১৪তম প্রযোজনা হিসেবে গত ১০ ফেব্রুয়ারি কারিগরি মঞ্চায়ন ও ১১ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনী মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে নাটকটি মঞ্চে আনে নান্দীমুখ।
এটি মূলত ইতিহাস আশ্রিত একটি নাট্যপ্রযোজনা। ইতিহাসের চরিত্রকে উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে ‘আমার আমি’ নাটকটির কাহিনি। বাংলা রঙ্গালয়ের প্রবাদ প্রতিম অভিনেত্রী শ্রীমতী বিনোদিনী দাসীর আত্মজীবনী নিয়েই এই নাট্যের কাহিনি বিন্যাস।

উল্লেখ, শ্রীমতি বিনোদিনী দাসীর জন্ম আনুমানিক ১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার ১৪৫ কর্ণওয়ালিস স্ট্রীটে। মাত্র ১১-১২ বছর বয়সে ১৮৭৪ সালে তিনি প্রথম মঞ্চ প্রাদ-প্রদীপের আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করেন গ্রেট ন্যাশনাল থিয়েটারে ‘শত্রু-সংহার’ নাটকের মধ্য দিয়ে। ক্রমেই তাঁর অভিনয় দক্ষতা মুগ্ধ করেছিল মানুষের হৃদয়। মনীষীজনদের প্রশংসা আর খ্যাতি-সিদ্ধির লগ্নে তিনি ১৮৮৭ খ্রিষ্টাব্দের ১লা জানুয়ারি রঙ্গালয়ে তাঁর অভিনয় জীবনের ইতি টানেন।
কিন্তু প্রশ্ন হল কেন তিনি অভিনয় ছেড়ে দিলেন? কী এমন ঘটনা ঘটেছিল? শ্রীমতী বিনোদিনী দাসী তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘আমার খাতা’, ‘আমার কথা’ ও ‘আমার অভিনেত্রী জীবন’-এ তাঁর হৃদয়ে বপন করা যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেন। সেই যন্ত্রণারই এক প্রামাণ্যচিত্র ‘আমার আমি’।