বিশেষ সংবাদ:

দিনে ছাত্রী রাতে যৌনকর্মী!

Logoআপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০১৪

এবি ডেস্ক
ভারতের শহরগুলোতে পড়াশুনা করতে এসে নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিচ্ছে হাজার হাজার মেয়েরা। পড়াশোনার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের জন্য রাতে বেশ্যাবৃত্তির পথ বেছে নিয়েছে তারা।

এদের অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের সন্তান। কেউ বা শখের বসেও নামছেন এ কাজে। তবে বেশিরভাগই দারিদ্রের কষাঘাতে বিলিয়ে দিচ্ছে নিজের সম্ভ্রম। দিনকে দিন এর সংখ্যা বেড়েই চলছে।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে নার্সিং, আর্টস, কমার্স ও বিজ্ঞানের ছাত্রীও রয়েছে। দেখতেও তারা যথেষ্ট স্মার্ট। প্রতিরাতে তাদের কামাই ৫-১০ হাজার রুপি পর্যন্ত। ঘন্টায় এরা নেয় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার রুপি।

পুরোটাই নির্ভর করে খদ্দেরের উপরে। তারা গড়ে সপ্তাহে দুই-এক দিন এ কাজ করে থাকে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি কয়েকটি এনজিও পতিতাপল্লীর বাইরে যৌনকর্মীদের জন্য এইডস নিয়ে কাজ করতে গিয়ে চমকে দেওয়ার মতো এমন তথ্যই তুলে এনেছে। জানা গেছে, ভারতের নাগপুরের নিকটবর্তী এলাকা ওয়াদি, কালমেশ্বর, হিংনা, কেম্পটি থেকে হাজার মেয়েরা পড়াশোনা বা কাজের খোঁজে এসে নিজেদের বিলিয়ে দিচ্ছেন টাকার জন্য।
বেশির ভাগ মেয়েরাই দুই রকম জীবন-যাপন করেন। দিনে ছাত্রী, রাতে পতিতা। তাদের পরিবারকে তারা বোঝাতে চেষ্টা করেন যে, নাগপুর তাদের স্বপ্নের ঠিকানা। এ বিষয়ে এক এনজিও ম্যানেজার জানান, বেশির ভাগ মেয়েরা ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী। তারা সবাই গরীব পরিবার থেকে এসেছে তা নয়। অনেকে আছেন, সম্ভ্রান্ত মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য।

অভিভাবকরা অনেকেই তাদের সন্তানদের এই জীবন সম্পর্কে কিছুই জানেন না।তিনি জানান, অল্প বয়স হওয়ায় এই শিক্ষার্থীরা খদ্দেরের কাছ থেকে ভাল টাকা পায়। তারা এটা সরাসরি খদ্দেরের কাছ থেকে নেয় অথবা দালালের মাধ্যমে নেয়। তিনি বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই অর্থের একটা অংশ তাদের পরিবারের কাছে যায়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা দামী মোবাইল সেট, দামী মেক-আপ সেট, কাপড়-চোপড় ইত্যাদির পেছনে খরচ করে। এই মেয়েদের সবাই মদ্যপানে অভ্যস্ত। জানা গেছে ওই এনজিওর ডাটাবেজে ৩ হাজারের মতো পতীতাপল্লীর বাইরে যে যৌনকর্মী রয়েছে এদের ৭০ শতাংশই শিক্ষার্থী।