বিশেষ সংবাদ:

বেবী মওদুদ আর নেই

Logoআপডেট: শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০১৪

এবি প্রতিবেদক
চিরবিদায় নিলেন সাংবাদিক ও সাবেক সাংসদ বেবী মওদুদ। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৬ বছর। দেশবরেণ্য এই রাজনীতিকের মৃত্যুতে সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সহ সর্বময় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে গত কিছুদিন ধরে তিনি ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বেবী মওদুদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১২ জুলাই তাকে হাসপাতালে দেখতে যান।

গুণধর এ সাংবাদিকের জন্ম ২৩ জুন ১৯৪৮ সালে। বাবা বিচারপতি আবদুল মওদুদ ও মা হেদায়েতুন নেসা। তাদের আদর্শে নিজেকে গড়ে তুলেছেন বেবী। তার পুরো নাম এন মাহফুজা খাতুন হলেও বেবী মওদুদ নামেই তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত। কারণ এ নামেই তিনি লেখালেখি করেন। ছয় ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। শিশু-কিশোরদের জন্য প্রচুর লেখালেখির কারণে শিশুসাহিত্যিক হিসেবেই তার খ্যাতি ছিল সবচেয়ে বেশি। ৬০-এর দশকে এ অঞ্চলে সাংবাদিকতায় মেয়েরা ছিল না বললেই চলে।
সে সময় পুরুষ সঙ্গী ছাড়া মেয়েরা ঘর থেকে বেরই হতো না।

কিন্তু ব্যতিক্রম দু’একজনের মধ্যে বেবী মওদুদ ছিলেন অন্যতম। ১৯৬৩ সাল থেকে মৃত্যুর শেষ দিনটি পর্যন্ত সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছিলেন অঙ্গাঙ্গী করে। নিজেকে নিয়ে গেছেন এক বিরল উচ্চতায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে অনার্সসহ মাস্টার্স করা বেবী মওদুদ পেশাগত জীবনে সাপ্তাহিক ললনা, দৈনিক সংবাদ, দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক মুক্তকণ্ঠ, বিবিসিসহ নানা মিডিয়ায় কাজ করেছেন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বাংলা বিভাগটি গড়ে তুলেছেন প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে। ছিলেন সাপ্তাহিক বিচিত্রার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক। শেষ কর্মস্থল ছিল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরডটকম-এ।