বিশেষ সংবাদ:

ডায়াবেটিস নির্মূল হবে মাত্র ১২ টাকার ঔষধেই!

Logoআপডেট: বুধবার, ০৯ মার্চ, ২০১৬

এবি প্রতিবেদক
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ৭ সেকেন্ডে বিশ্বে এক জন ডায়াবেটিস রোগী মারা যায়। বাংলাদেশে ২০১৪ সালে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৯ লাখ।

 

এখন ডায়াবেটিসকে সবাই অপ্রতিরোধ্য রোগ হিসেবেই জানে। কিন্তু মাত্র ১২ টাকার ঔষধেই ডায়াবেটিস নির্মূল সম্ভব। এই ঔষধ সেবন করলে একজন রোগী খুব দ্রুত সুস্থতায় ফিরে আসতে পারবেন বলে দাবি করেছেন গবেষকরা।

 

বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে এমন ওষুধ তৈরি করছে ডেনমার্কের কোম্পানি নভো নরডিস্ক। তবে রোগের ধরনের ওপর ভিত্তি করে কোম্পানিটি ভিন্ন ধরনের ঔষধও তৈরি করছে ।


বুধবার ডেইলি স্টার ভবনে নভো নরডিস্ক আয়োজিত ‘করপোরেট সাসটেইনেবিলিটি থ্রো ট্রিপল বোটম লাইন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে নভো নরডিস্ক কোম্পানির ভাইস পেসিডেন্ট শুসানি স্টোরমার এ তথ্য জানান। শুসানি স্টোরমার বলেন, ‘রোগের ওপর নির্ভর করে আমরা ১২ টাকা থেকে ২ হাজার ৪৯০ টাকা পর্যন্ত মূল্যের ডায়াবেটিস ওষুধ বাংলাদেশে বাজারজাত করব। আমরা শুধু ব্যবসা করছি না, এর পাশাপাশি মানবসেবাও করছি। ব্যবসায় ক্ষেত্রে আমরা অর্থনৈতিক ,সামাজিক ও পরিবেশের ওপর গুরুত্ব দেই। ফলে আমাদের কোম্পানিটি ব্যবসায় দীর্ঘ মেয়াদি সফলতা পাচ্ছে। ব্যবসার জন্য এ তিনটি জিনিস খুবই জরুরি। আমরা বিশ্বাস করি ব্যবসার ক্ষেত্রে এই তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিলে দীর্ঘ মেয়াদে সফলতা অর্জন করা সম্ভব। আর এ কারনে একাধিক টেকসই কোম্পানিগুলোর মধ্যে আমাদের কোম্পানিটি অন্যতম। আমরা সব ধরনের ডায়াবেটিকস রোগীদের জন্য ঔষধ তৈরি করি।’


তিনি জানান, আগামী এপ্রিলে রাইজুডেগ নামে নতুন এবং আধুনিক ইনসুলিন বাংলাদেশে বাজারজাত শুরু করবে নভো নরডিস্ক। এটির মূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই থাকবে বলে তিনি জানান। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের তথ্যমতে, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে এমন রোগীর সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হবে। বিশ্বে বর্তমানে ৩৮৭ মিলিয়ন মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এই সংখ্যা বেড়ে ২০৩৫ সালের ৫৯২ মিলিয়নে দাঁড়াবে বলে আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন।


অলস জীবনযাত্রা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবে শহরে বসবাসকারী মানুষের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এ কারণে গ্রামের চেয়ে শহরের মানুষের ডায়াবেটিসের হার বেশি হয়।উল্লেখ্য, নভো নরডিস্ক কোম্পানিটি ৯০ বছর ধরে ডায়াবেটিস রোগীদের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ছাড়াও কোম্পানিটিতে বিশ্বের ৭৫টি দেশে ৪১ হাজার ৪৫০ জন ‍লোক কাজ করছে। এছাড়া একই সাথে বিশ্বের ১৮০টি দেশে কোম্পানির উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত হচ্ছে।