বিশেষ সংবাদ:

পাইলস রোগের সঠিক চিকিৎসা হারবালেই সম্ভব

Logoআপডেট: রবিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০১৪

এবি ডেস্ক


কিভাবে পাইলস হয়ে থাকে:
খাবার থেকেই মূলত পাইলস রোগের উৎপত্তি হয়ে থাকে। আমরা যে ধরনের খাবার খেয়ে থাকি এর একটা অংশ খাবার কখনো কখনো হযম না হয়ে পেটের ভেতরেই জমা হয়।

 

এই বর্জগুলোতে একটা সময়ছোট ছোট বিভিন্ন ধরনের পোকার সৃষ্টি হয়। যার নাম ছোট কৃমি বা গুড়া কৃমি। এই পোকা পেটে থেকে বিভিন্ন ভাবে বের হওয়ার চেষ্টা করে, যখন বের হতে না পারে তখন মল দ্বারের ১ ইঞ্চি বা ১/২ ইঞ্চি উপরে বাসা বাঁধে।

 

সেই বাসস্থানের নাম গুড়া কৃমির বাসস্থান। এবং এই বাসস্থানে আস্তে আস্তে গর্ত করে থাকে। এই গর্ত থেকেই পাইলসের সৃষ্টি হয়।

মুক্তির উপায়:
নিজেকে সুস্থ রাখতে হলে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। সুস্থ থাকার জন্য খাওয়া-দাওয়াও বেচে খেতে হবে। পাইলস আক্রান্ত ব্যক্তি গরুর মাংস, ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ, নারিকেল না খাওয়াই ভালো।

 

অবশ্যই তাকে তৈলাক্ত জাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়াও ফাস্ট ফুড, বিরানী, খিচুড়ি বর্জন করাই উত্তম।

 

প্রতি বেলা খাবারের সাথে লেবু খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এই ভাবে অন্তত ৩ মাস চলতে থাকুন। দেখা যাবে আক্রান্ত ব্যক্তি এই রোগ থেকে আনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন।

আবশ্যক নির্দেশনা: পাইলস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির মলমূত্র কখনোই যেন শক্ত না হয় এবং কষা হতে দেওয়া যাবে না। তার জন্য করনীয় হবে সপ্তাহের ৭ দিনের মধ্যে ৬ দিন আপনি বেছে নিন।

 

একদিন পর পর সকালে খালি পেটে করলার রস, চিরতা ভেজানো পানি এবং ইসুব কুলের ভূসি নিয়মিত খেতে থাকুন। বাদবাকী যেই ৪ দিন থাকে সকালে খালি পেটে মৌসুমী ফল খেতে থাকুন। আরোগ্য লাভে যা সহায়ক ভূমিকা রাখবে।