বিশেষ সংবাদ:

বজলুর রহমান ভাইয়া স্মৃতিপদক পেলেন চার গুণী

Logoআপডেট: বুধবার, ০৩ মে, ২০১৭

এবি প্রতিবেদক

সংগঠনের জন্মদিনে দেশের বেশ কজন গুণীকে সম্মানিত করল কেন্দ্রীয় খেলাঘর। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি কেন্দ্র মিলনায়তনে ছিল খেলাঘরের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য আয়োজন। ‘আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে’ গেয়ে প্রদীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন অতিথিরা।
এ সময় খেলাঘরের শিল্পীরা গেয়ে শোনান খেলাঘরসঙ্গীত ‘আমরা তো সৈনিক শান্তির সৈনিক’। ‘ধনধান্য পুষ্পভরা’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন খেলাঘরের শিশু-কিশোর বন্ধুরা।

এ বছর খেলাঘরের ‘বজলুর রহমান ভাইয়া স্মৃতিপদক’ দেয়া হয় সাংবাদিক তোয়াব খান, চিত্রশিল্পী আবুল বারক আলভী, প্রাবন্ধিক মফিদুল হক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক নিরঞ্জন অধিকারীকে। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন টঙ্গী পৌরসভার সাবেক মেয়র আজমত উল্লা খান।
খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর চেয়ারম্যান পান্না কায়সারের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবুল ফারাহ। বজলুর রহমানের নামে সম্মাননা পেয়ে তোয়াব খান বলেন, ‘খেলাঘরের সঙ্গে শুরু থেকেই আমার মনন আর চিন্তার যোগসূত্র। সেই সম্পর্কের সূত্রটি ছিঁড়ে যায়নি।’ মফিদুল হক বলেন, ‘সমাজের এই দুঃসময়ে খেলাঘর একটি প্রেরণার উৎস হয়ে কাজ করতে পারে।’

সাংস্কৃতিক আয়োজনে সমবেত কণ্ঠে ‘জাগো সত্যের শুভ্র আলোয়’ গানটি গেয়ে শোনান খেলাঘরের শিল্পীরা, সমবেত কণ্ঠে আবৃত্তি করা হয় শামসুর রাহমানের ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি।
ছিল ‘ভোরের সূর্য’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য, সৈয়দ শামসুল হকের নূরলদীনের সারাজীবন থেকে পাঠসহ আরো নানা পরিবেশনার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতার সমাপ্তি ঘটে।