বিশেষ সংবাদ:

প্রকাশ পেল ক্যাম্পাসভিত্তিক আলভীর ‘শাটল ট্রেন’

Logoআপডেট: বুধবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৮

এবি প্রতিবেদক
ছোট-বড় সবুজ পাহাড়ে ঘেরা মনোরম ক্যাম্পাস সমৃদ্ধ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তর বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ২১শ একরের এই ক্যাম্পাসটি যেন প্রকৃতির এক অপরূপ নিদর্শন। শহর থেকে ক্যাম্পাসের দূরত্ব প্রায় ২২ কিলোমিটার। তাই শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ১৯৮০ সালে চালু করা হয় শাটল ট্রেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য ছিল নিজস্ব ট্রেন। কিন্তু বর্তমানে তা বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ই পৃথিবীর একমাত্র শাটল ট্রেনের বিশ্ববিদ্যালয়। ২টা শাটলের পাশাপাশি আছে ১টি ডেমুও। প্রতিদিন প্রায় দশ থেকে বার হাজার শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয় যাতায়াতের মাধ্যম হচ্ছে এই শাটল ট্রেন। এই শাটলই হলো চবির প্রাণ।

অনেকে এই শাটলকে ‘ভ্রাম্যমাণ বিশ্ববিদ্যালয়’ও বলে থাকেন। আড্ডা, গল্প, গান,পড়ালেখা কী নেই এই শাটলে! বিভিন্ন বগিতে সবাই একসাথে গান গেয়ে মাতিয়ে রাখে পুরো ট্রেন। এমন করেই শাটলের সাথে গভীর সখ্যতা গড়ে উঠে শিক্ষার্থীদের। এ এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা এবং অনুভূতির বিষয়।

চবি’র বিরল এই শাটল নিয়ে এর আগে রচিত হয়েছে অনেক ছড়া-কবিতা,গল্প এমনকি টেলিফিল্মও। তবে এবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে বৃহত্তর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তারিক সাফুল্লাহ আলভীর পরিচালনায় ক্যাম্পাসভিত্তিক মিউজিক ভিডিও ‘শাটল ট্রেন’। মো. আসিফ নেওয়াজের কথা, সুর ও কণ্ঠসৃত এ গানটির সঙ্গীতায়ন করেছেন ফরিদ বঙ্গবাসী।

রেজওয়ান সাজ্জাদের শব্দমিশ্রণে ভিডিওটির সম্পাদনায় রয়েছেন সাইফ সাইফু ও রবিন হোসেন। আজ ১০ অক্টোবর দেশের প্রথমসারির অডিও-ভিডিও প্রযোজনা-পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান জি সিরিজ-এর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে অনলাইন ভিউয়ারদের জন্য গানটি অবমুক্ত করা হয়।

এ প্রসঙ্গে তারিক সাইফুল্লাহ আলভী বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ঐতিহ্য এবং অপরূপ সুন্দরের লীলাভূমিতে অগণিত শিক্ষার্থীকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার অবিরাম পথচলা এতে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে আমাদের দৈনন্দিন ছাত্রজীবনের চমৎকার রসায়ন শৈল্পিকভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। আশাকরি গানটির পাশাপাশি ভিডিওটিও সবাইকে মুগ্ধ করবে।