বিশেষ সংবাদ:

মনির খানের ‘ঘুম নেই দুটি চোখে’

Logoআপডেট: রবিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৮

এবি প্রতিবেদক

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের প্রতিভাবান গীতিকবি লিটন শিকদার হাজির হচ্ছেন দ্বিতীয় একক অ্যালবাম নিয়ে। ‘ঘুম নেই দুটি চোখে’ শিরোনামের এই অ্যালবামে থাকছে লিটন শিকদারের লেখা মোট ১০টি গান। গানগুলোর সুরও করেছেন তিনি। গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মনির খান।

এই অ্যালবামের মাধ্যমে দীর্ঘ তিন বছর পর শ্রোতাদের মাঝে ফিরছে সঙ্গীতশিল্পী মনির খান। লিটন শিকদারের এই অ্যালবামের গানগুলোর জন্য সঙ্গীতায়োজন করেছেন কলকাতা প্রবাসী বাংলাদেশের মিউজিক কম্পোজার বিনোদন রায়। কলকাতার নিজস্ব স্টুডিওতে গানগুলো কম্পোজ করেছেন তিনি।

 ইতোমধ্যে নির্মাতা এম আর মিজানের পরিচালনায় অ্যালবামের ১০টি গানেরই ভিডিও নির্মিত হয়েছে। অ্যালবামের গানগুলো হচ্ছে- ‘তোমায় নিয়ে আমি কখনও ভাবিনি’, ‘ভালবেসে যে ÿতি করেছো আমায়’, ‘ও বন্ধু রে ও বন্ধু রে ভালবেসে থাকো কোন দূরে’, ‘ঘুম নেই দুটি চোখে’, ‘দেখা হলো তোমারই সাথে বসন্ত মেলায়’, ‘এই জীবন চলার পথ একদিন হয়ে যাবে শেষ’, ‘হাসনাহেনা ফুল সুবাসে মায়াময় নির্জনতায়’, ‘ও দয়াল ও দয়াল’, ‘তোমার দুচোখে জল যেন আর না ঝরে’ এবং ‘তোমার স্বপ্নের বাগানে ফুল হয়ে ফুটেছি’।

মিউজিক ভিডিওতে মনির খানের সঙ্গে মডেল হয়েছেন দেবদ্বীপ, দীপা, রাকা, রিয়েল, মাহা, স্নেহা, জিনাতসহ আরও অনেকে।

নিজের দ্বিতীয় অ্যালবাম প্রসঙ্গে গীতিকবি লিটন শিকদার বলেন, ‘অনুভূতি বলে বোঝানো সম্ভব নয়। আমার এই অ্যালবামে যিনি গান করেছেন তিনি আমার বড় ভাই, শ্রদ্ধেয় মনির খান। আমার বন্ধু, আমার শ্রদ্ধাভাজন। এক সঙ্গে আমরা অনেক সময় কাটাই। তিনি হঠাৎ একদিন বললেন লিটন দা আপনি আমাকে কয়েকটা গান দিন আমি আপনার লেখা গান করব। আসলে সে দিনই অবাক হয়েছি যে, তিনি আমার কাছে গান চেয়েছেন। শেষ অবধি তিনি লেখা গান গেয়েছেন এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’

নতুন অ্যালবাম প্রসঙ্গে শিল্পী মনির খান বলেন, ‘তিন বছর পর আমার নতুন অ্যালবাম বেরুচ্ছে। লিটন শিকদার গানগুলো খুব ভাল লিখেছেন। এক বছর ধরে আমরা অ্যালবামের গানগুলো নিয়ে কাজ করেছি। আশা করি শ্রোতারা যারা আমার গান শুনতে ভালোবাসেন, যাদের কারণে আজ আমি মনির খান তারা আমার গানগুলো আগের মতোই উপভোগ করবেন।’

প্রসঙ্গত, গীতিকবি লিটন শিকদার খুলনার বাগের হাটের হাকিমপুরের শিকদার বাড়ি মন্দিরে প্রতি বছর বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রতিমার সমন্বয়ে পুজার আয়োজন করে আলোচনায় এসেছেন। এবারও তার উদ্যোগে ৭০১টি প্রতিমার পুজা হচ্ছে। এছাড়া মন্দিরের পাশে পুকুরে স্থাপন করা ৪৫ ফুট উঁচু লক্ষী ও নারায়নের মূর্তি দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে।

 

এবি/রায়হান