বিশেষ সংবাদ:

বাংলাদেশের মঞ্চ নাটক এবং আমার ভাবনা

Logoআপডেট: বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০১৪

ড.ইনামুল হক
মঞ্চনাটক বাংলাদেশে বহু আগে থেকেই হয়ে আসছে। আমরা যখন খুব ছোট তখন থেকেই দেখতাম স্কুল-কলেজের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত নাটক হতো।

স্কুলেগুলোতে সে সময় বছরে একবার হলেও নাটক মঞ্চায়ন হতো। আমিও আনন্দের সাথে অংশ নিতাম। কারণ, তখন থেকেই  নাটক আমাকে ভীষণভাবে টানতো। ছাত্রজীবনে পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফজলুল হক হলের আবাসিক ছাত্র হিসেবে ডাকসুর নাটকে অংশগ্রহণ করতাম।

১৯৬৩ সালে হল সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করে নিজেকে পুরোপুরি নাটক এবং সাংস্কৃতিকযজ্ঞে জড়িয়ে ফেলি। ৭১-এর পূর্বে এদেশে যে নাটক হতো তার প্রায় সব নাটকই ছিল সামাজিক ও সচেতনতামূলক। কিন্তু তখনকার নাটক নিয়ে অতোটা আলোচনা ছিলোনা।

মূলত, একটি স্বাধীন দেশে যতটা স্বাতন্ত্রিক নাট্যচর্চা করা যায় পরাধীনতার ভেতরতো ততটা সক্রিয় চর্চা দুষ্কর। কেননা, নাটক সবসময় সত্যকে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দেয় এবং বাস্তবতাকে উন্মোচন করে। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মঞ্চনাটককে আমরা একটা প্রতিবাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি। এটি আমাদের সংস্কৃতির অনেক বড় অর্জন।

রবিন্দ্রনাথের রাজনীতিগভীর নাটকগুলো তখন আমাদের দারুণভাবে উজ্জিবীত করে। তখন এসব নাটক পাকিস্তানবিরোধী আন্দোলনের সহায়ক হিসেবে কাজ করে। শুধু রবিন্দ্রনাথের নাটকই নয় আব্দুল্লাহ আল মামুন, শৈলেশ নিয়োগী এবং মলিয়ের’র নাটকও তখন ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

এই সময়ে বিভিন্ন আন্দোলনমুখী পথনাটকেরও প্রদর্শনী হতো। ১৯৬৫ সালে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করার পর ঢাবির সাংস্কৃতিক সংসদ ছাড়াও সৃজনী নাট্যগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন অপেশাদার নাট্যসংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ি। এ সময় রবীন্দ্রনাথের নাটক-গান প্রচারের ওপর তৎকালীন মোনায়েম সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, সেই বিধি-আরোপের মুখেও আমরা নাটক মঞ্চস্থ করতে পিছু হটিনি। প্রতিটি নাটকে উল্লেখযোগ্য চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ হত আমার। মে দিবস উপলক্ষে খান আতার নির্দেশনায় ম্যাক্সিম গোর্কির ‘মা’-এ অভিনয় করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করেছিলাম।

আমার সহঅভিনেতারা ছিলেন, আনোয়ার হোসেন, রওশন জামিল, সৈয়দ হাসান ইমাম প্রমুখ। সমরেশ বসুর ‘আবর্তন’ সে সময়ের আরেকটি উল্লেখযোগ্য নাটক। প্রতিটি নাটক ছিল সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়াসে। যেহেতু টিকেট বা অর্থ দিয়ে নাটক দেখতে হতো না, তাই দর্শকও কম ছিল না কখনই। ৭১-এর মার্চে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃতি কর্মীরা একত্রিত হয়ে ট্রাকে ট্রাকে ঘুরে শহরের বিভিন্ন স্থানে নাটক মঞ্চায়ন করি।

ভয়-দ্বিধা মিশ্রিত এ চেষ্টায় দর্শকের উপস্থিতি আমাদের ব্যাপকভাবে উৎসাহ জেগাত। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নাটকের পুরো স্ট্র্যাকচারই পাল্টে যায়। নবউদ্যোমে নাট্যধারায় তখন নব বৈচিত্রতায় রূপ নেয়। স্বাধীনতার পর পরই দর্শনীর বিনিময়ে আমাদের নাট্যপ্রদর্শনীর চর্চা শুরু হয়।

এটিও আমাদের সংস্কৃতির জন্য আনেক বড় অর্জন। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর থেকে মুক্তির সাদ নিতে নিতে আমাদের নাটকের নির্মাণ ও অভিনয় প্রয়োগে প্রতিনিয়ত নতুনত্বের অবির্ভাব দেখা দেয়। এ সময় সামাজিক ও বিপ্লবীধারার নাটকের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ঘটনাভিত্তিক, বাস্তবধর্মী, রোমান্টিক, কমেডী, এমনকি রাজনৈতিকধাচের নাট্যচর্চায় আমাদের নাট্যাঙ্গন মনোনিবেশ করে। এসবের কান্ডারী নাট্যজন এসএম সোলাইমান, সাঈদ আহমেদ, নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন, প্রয়াত আব্দুল্লাহ আল মামুনের মতো নাট্যমহারথীদেরকে এরই মধ্যে আমরা হারিয়েছি।

যাদের নাটক আমাদের সংস্কৃতির রুচীবোধকে নতুন পরিচয়ে মহীয়ান করে। একই সাথে সৈয়দ সামছুল হক, মামুনুর রশীদ, রবিউল আলম এবং মান্নান হীরার মতো নাট্যকার আমাদের নাটকের অনেক বড় অলঙ্কার। শুধু পান্ডুলিপিই নয় আমাদের নাট্য নির্মাণ কৌশলেও এসেছে আমূল পরিবর্তন।

নাসিরুদ্দিন ইউসুফ, গোলাম সারোয়ার এবং আতাউর রহমানের মতো বিচক্ষণ নির্দেশকের মশৃণ পথ ধরে আমাদের নাটক পেয়েছে আজাদ আবুল কালাম, অনন্ত হীরা, সুবাশিষ সিনহা এমনকি সুদীপ চক্রবর্তীর মতো এ প্রজন্মের তারুণ্যদীপ্ত দুরন্ত নাট্যনির্মাতাদের।

তখন নাগরিক নাট্যসম্প্রদায় ও থিয়েটার মিলে যৌথভাবে মঞ্চে নিয়ে আসে মেকবেথ, কিং লিয়ার, টেম্পেষ্ট এর মতো দুর্দান্ত প্রযোজনা। পরবর্তী সময়ে এসে এপার বাংলা - ওপার বাংলার মধ্যে নাটক তথা সংস্কৃতির যে সেতু বন্ধন সূচীত হয়েছে তা আমাদের নাট্য চর্চাকে দারুণভাবে আলোকিত করে। আমাদের নাট্যচর্চায় সবচাইতে বেশী পরিবর্তন বা এক্সপেরিমেন্ট হয়েছে রবিন্দ্রনাথের নাটক। বিশেষ করে রবি ঠাকুরের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার নাটক বা তাকে নিয়ে নির্মিত নাটক বৈচিত্রতার দাবি রাখে।

গত কয়েক বছর ধরে দেশব্যাপী নাটকের যে জাগরণ তৈরি হয়েছে তা আমাদের সংস্কৃতিতে নাটককে আরও বেশী শক্তিমান করেছে। আর সম্প্রতি দেশব্যাপী নাটকের এই গৌরবময় ব্যাপ্তীর একক দাবীদার শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক লীয়াকত আলী লাকী।

বিশেষ করে দেশের সুবিধা বঞ্চিত শিশু ও যুবদের নিয়ে তার পিপল্স থিয়েটার এবং শিশু ও যুব নাট্যকার্যক্রম প্রশংসার দাবী রাখে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় ‘স্বাধীনতার ৪০ বছর ও শিল্পের আলোয় মহান মুক্তিযুদ্ধ’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শতাধিক নাটক নিয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর আয়োজনে দেশের সর্ববৃহৎ ‘মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাতীয় নাট্যোৎসব’।

এবং দেশজ সংস্কৃতির বিকাশ ও আন্তর্জাতিক সংস্কৃতরি সাথে মেলবন্ধন’ র্শীষক র্কমসূচীর আওতায় দেশের সবক‘টি জেলার একটি কলেজ ও স্থানীয় নাট্যদলের সমন্বয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর উদ্যোগে স্বপ্ন ও দ্রোহের বর্ণীল নাট্যযজ্ঞ আমাদের নাট্যচর্চাকে জনমানুষের অনেক কাছে নিয়ে যেতে সমর্থ হয়েছে। এসব কিছুই লিয়াকত আলী লাকীর মেধা, শ্রম এবং নাটকের প্রতি তার অপার ভালোবাসার বাস্তব রুপ।

তবে এতো বৃহৎ ও ব্যাতিক্রমী নাট্যযজ্ঞ করা সম্ভব হয়ে উঠেছে নাটক তথা সংস্কৃতির প্রতি সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের জন্য। কেননা ইতিপূর্বে কোন সরকারই নাটকের জন্য এতোটা সহনশীল ছিলোনা। যেখানে সরকারগুলো নাটককে রীতিমতা ভয় পেয়ে এসেছে সেখানে সংস্কৃতিবান্ধব এ সরকার নাটককে যেন যথার্থ মর্যাদা দিতে একটুও ভুল করেনি।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম ফসল আমাদের এই মঞ্চ নাটক। যদিও গ্রুপ থিয়েটার কনসেপ্টটা এসেছিল স্বাধীনতার পূর্বেই। পরবর্তীতে নব-নাট্যান্দেলনের পথ ধরে আমাদের নাটক প্রবাহিত হয়েছে নতুন উদ্যমতায়। এ সময়ে নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়ের মতই আরও কিছু গ্রুপ থিয়েটার এর জন্ম হয়। এদের মধ্যে থিয়েটার, ঢাকা থিয়েটার, পদাতিক, আরণ্যক ইত্যাদি দল নিয়মিত মঞ্চায়নে এগিয়ে আসে। এ পর্যায়ে প্রতিটি দলের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করতে প্রতিদিনই মঞ্চায়ন শুরু হয়ে যায়। বর্তমানে তো ঢাকা শহরেই রয়েছে প্রায় দুই শতাধীক নাট্যদল।

মঞ্চনাটক এখন  নিয়মিত হচ্ছে, হলগুলোও আজ আর খালি থাকছে না। হল বরাদ্দ নিয়ে রীতিমতো চলছে কাড়া-কাড়ি। আজকের এ পরিবেশ কিন্তু দীর্ঘ আন্দেলনের ফসল। তবে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে স্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ এখন সময়ের দাবিতে রূপ নিয়েছে। উত্তরা, গুলশান, বনানী এমনকি যাত্রাবাড়ীরমতো জনবহুল এলাকায় স্থায়ী মঞ্চ গড়ে উঠলে আমাদের নাট্যচর্চা আরও ব্যাপ্তি পাবে।

পান্ডুলীপি নাট্যচর্চার জন্য অন্যতম প্রধান একটি উপাদান। এ ক্ষেত্রে অনেক আগে থেকেই আমাদের মঞ্চে বিদেশী নাট্যকারের নাটক অনুবাদ বা রূপান্তর করে পান্ডুলিপি করার একটা ধারা চলে এসেছে। বিষয়টি কিন্তু দোষের কিছু নয়। এ ক্ষেত্রে কোন বিদেশী নাটক  দেশজ আদলে নিয়ে আসলে দেখা যায় সেটা আর বিদেশী নাটক থাকেনা।

আমাদেরই হয়ে যায়। কিন্তু সেখানে নিজস্ব সংস্কৃতিকে কতটা প্রাধান্য দেয়া হয়েছে তাই দেখার বিষয়। সম্প্রতি সে জায়গা থেকে বেরিয়ে এসে মৌলিক ও বিষয় বৈচিত্রের যথেষ্ট পান্ডুলিপি আমাদের মঞ্চাঙ্গনকে অনেক বেশী উৎসাহিত করেছে। এতোটা পথ পাড়ি দিয়েও এখনও কিছু সংকট রয়েই গেছে। আমাদের মঞ্চনাটকের অভিনয় শিল্পী বিশেষ করে মহিলা শিল্পীর সংকটটি এখনও কাটেনি। গ্রুপ থিয়েটারে অভিনয় করতে অনেক মেয়েই আসে কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য থাকে টেলিভিশন। ছেলেদের মধ্যেও অনেকেই এই জ্বরে আক্রান্ত। তারা টিভি মিডিয়ায় যাওয়ার জন্য থিয়েটারকে ব্যবহার করতে চায়।

যার ফলে অল্পকিছু দিনের মধ্যে মঞ্চনাটকের প্রতি সে বিমূখ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে মধ্যবয়সী মহিলা শিল্পীতো পাওয়াই যায় না। অল্পবয়সীরা ঐ চরিত্র করে তাদের গ্রহণযোগ্যতা হারায়। দর্শক নষ্ট হবার এটিও একটি কারণ বটে। বেশীরভাগ সময়ই অভিনেতার টেলিভিশনমুখিতা তার গ্রুপের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনে। তবে যারা থিয়েটারকে ভালোবেসে কাজ করছে ইদানিং তাদের মূল্যায়নও বেড়েছে। কেননা অনেক নির্মাতাই থিয়েটারের অভিজ্ঞতা সম্পন্নদেন নিয়ে কাজ করতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এটি অবশ্যই ইতিবাচক।

একটা ব্যক্তিকে নির্ণয় করতে প্রথমেই আসে তার নিজের অবস্থানের কথা। অনেক মঞ্চশিল্পীই আছেন, যারা জীবিকার পেছনে ছুটতে গিয়ে যথার্থ আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও থিয়েটারে যথেষ্ট সময় দিতে পারেন না। এজন্য তারা নাটকে তাদের সৃষ্টিশীলতা ও কাজের মান ধরে রাখতে পারছেন না। এ জন্য প্রয়োজন নাটক থেকেই কিছু পারিশ্রমিকের।

অর্থাৎ মঞ্চাঙ্গনে পেশাদারিত্বের জায়গাটা তৈরি হওয়া দরকার। অর্জনের দিক দিয়ে আমরা পিছিয়ে নেই। কিন্তু নতুনদের মধ্যে থিয়েটারের প্রতি ভালোবাসা এবং নিজের প্রতি কনফিডেন্সের ঘাটতি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাদেরকে অবশ্যই পূর্ণ মনোবলের সাথে একটা কমিটমেন্টের জায়গায় আসতে হবে। যে জিনিসটি থাকলে অনেক দূর্লব অকাঙ্খাও সফলতায় রূপ পায়।

এখানে ডেডিকেটেডরা ভালো করছে। এ পর্যায় এসে আমাদের অভিনয়ে, নির্মাণে, নেপথ্যে অর্থাৎ কলা-কৌশলীর জায়গাতেও অধুনিকায়নের স্পর্শে পরিবর্তন এসেছে। সুতরাং এখন মঞ্চাঙ্গনে পেশাদারিত্বের দাবীটি অনেক বেশী যৌক্তিক। যেজন্য সরকারী বেসরকারী পৃষ্ঠপোষকতার বিকল্প নেই।

তবে মঞ্চাঙ্গনে আরও অনেক বেশী দর্শকপৃষ্টপোষকতা বাড়ানো জরুরী হয়ে পড়েছে। এই কাজটি করতে হবে থিয়েটার সংশ্লিষ্ট সবাইকেই। আমরা যদি প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-সহপাঠি বা পরিচিতজনদের নাটক দেখতে উৎসাহিত করি বা মঞ্চে নাটক দেখতে নিয়ে আসি তবে, ওই ব্যক্তি এক-দুটি নাটক দেখার পর অবশ্যই নাটকের প্রেমে পড়ে যাবে। কারণ একজন দর্শক মঞ্চনাটকে সরাসরি অভিনয়ক্রিয়া দেখে এর শিল্পমর্মে আকৃষ্ট হবেন, এটাই স্বাভাবিক। এক সময় তিনি এ অঙ্গনের নিয়মিত দর্শক হয়ে উঠবেন।

এ ছাড়া নতুন প্রজন্মকে আরও ব্যাপকভাবে থিয়েটার চর্চায় সম্পৃক্ত করা গেলে সমাজের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের আমূল পরিবর্তন ঘটবে। এমনকি পুরো জীবনের জন্য সে স্বাধীনতার চেতনা তথা দেশত্ববোধের মমত্বে ব্রত হবে।      

* শ্রুতি লিখন- ফারুক হোসেন শিহাব