বিশেষ সংবাদ:

এটিএন বাংলায় ‘মেঘে ঢাকা শহর’

Logoআপডেট: সোমবার, ২৩ জুলাই, ২০১৮

এবি প্রতিবেদক
যান্ত্রিক ঢাকায় নিত্যদিনই বাড়ছে মানুষের সমাগম। জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে গ্রামের মানুষ ছুটছে ইট-কাঠের আজব এই শহরে। যৌথ পরিবার ভেঙে হচ্ছে টুকরো টুকরো। এরই মাঝে ব্যতিক্রম রশীদ সাহেবের পরিবার। অবসরপ্রাপ্ত এই সরকারি কর্মকর্তা ভাবুক প্রকৃতির হলেও স্বভাবটা খিটখিটে। কিন্তু তার স্ত্রী রোকসানা বেগম দাম্পত্য জীবনে সবার কাছে সমাদৃত। পুরো পরিবারটিকে তিনিই আগলে রাখেন। তাদের বড় ছেলে মৃদুল দুই সন্তানের জনক।
ছেলে আরিয়ান কলেজে আর মেয়ে লাবণ্য মাধ্যমিকে পড়ে। মৃদুলের স্ত্রী শায়লা বড় ভাবী হিসেবে পরিবারে জনপ্রিয়। রশীদ সাহেবের দ্বিতীয় ছেলে রনো চাকরিজীবী আর রনো’র স্ত্রী তামান্না বিউটিশিয়ান এবং তার একটি বুটিক হাউজ আছে। বাবার আর্থিক স্ট্যাটাসের দাম্ভিকতায় তামান্না মাঝে মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।

তিনি চান যৌথ পরিবার ছেড়ে স্বামী আর একমাত্র মেয়ে আরিশাকে নিয়ে আলাদাভাবে থাকতে। রশীদ সাহেবের তৃতীয় ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক রুশো সদ্য বিয়ে করেছে। তার স্ত্রী নীরা নিউইয়র্ক প্রবাসী। ছোট-ছেলে শুভ্র মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ করে একটি কর্পোরেট চাকরিতে ঢুকেছে। উচ্চবিলাসী এই তরুণের ভালোবাসার মানুষ ধনী বাবার একমাত্র সন্তান মাইশা। মাইশার বাবা-মা’র মধ্যে ডিভোর্স হয়ে গেছে।

ধনী নারী ব্যবসায়ীদের মাঝে মাইশার মা সুর্বণা চৌধুরীর নামটি সুপরিচিত। তিনি বরাবরই মাইশার সব বিষয়ে জানতে ও দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। কিন্তু মাইশা তা মোটেও পছন্দ করে না। শুভ্র মাইশাকে বিয়ে করে দেশের বাইরে চলে যেতে চায়। কিন্তু মাইশা চায় শুভ্রদের পরিবারের সাথে বাড়ির বউ হয়ে থাকতে। কারণ যৌথ পরিবার তার ভালো লাগে। এমনই এক পারিবারিক গল্প নিয়ে আবর্তিত হয়েছে নাটক ‘মেঘে ঢাকা শহর’।

রুদ্র মাহফুজের রচনায় ধারাবাহিক নাটকটি পরিচালনা করেছেন সাখাওয়াত মানিক। ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, ডলি জহুর, ড. এনামুল হক, শম্পা রেজা, অপূর্ব, উর্মিলা, সাজু খাদেম, নাঈম, তানিয়া হোসাইন, লুৎফর রহমান জর্জ, আহসান হাবিব নাসিম, বাঁধন, ডা. এজাজ প্রমুখ। এটিএন বাংলায় আগামীকাল ২৪ জুলাই রাত সাড়ে ৮টায় প্রচার হবে আপনার আমার পারিবারিক বন্ধনের এ নাটকটি।