বিশেষ সংবাদ:

জাতীয় নাট্যশালায় শুরু হচ্ছে ৬ষ্ঠ যাত্রা উৎসব

Logoআপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৪

এবি প্রতিবেদক


যাত্রাশিল্প উন্নয়ন নীতিমালা-২০১২ বাস্তবায়ন ও যাত্রাদল নিবন্ধনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী ১৭ অক্টোবর থেকে জাতীয় নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার হলে আয়োজন করেছে চার দিনব্যাপী ৬ষ্ট যাত্রা উৎসব-২০১৪।

 

শুক্রবার দুপুর আড়াইটা থেকে রাত পোনে দশটা পর্যন্ত ৬টি যাত্রাদল উৎসবে প্রদর্শণ করবে তাদের নিবন্ধনপ্রক্রিয়ার প্রদর্শনী।

 

একই আবহে ১৮ থেকে ২০ অক্টোবর দুপুর আড়াইটা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত প্রতিদিন চলবে ৫টি করে ১৫টি পালার প্রদর্শন। ২১টি যাত্রাদলের ২১টি পালা নিয়ে সাজানো হয়েছে নিবন্ধনের এ যাত্রাউৎসব।

 

যেখানে উচ্চপর্যায়ের দ্বায়িত্বশীল সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা ছাড়াও যাত্রাশিল্প উন্নয়ন কমিটির ৩ জন সম্মানিত সদস্য উপস্থিত থেকে যাত্রাপালা মূল্যায়ন করবেন। তাদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নির্বাচিত যাত্রাদলগুলোকে নিবন্ধন প্রদান করা হবে। উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে পরিবেশিত হবে যাত্রাপালা ‘জেল থেকে বলছি’।

 

রাজশাহীর যাত্রাদল দি নিউ বাসন্তী অপেরার এ পালাটি মঞ্চে এনেছেন পালা নির্মাতা মোঃ বিয়ারুল ইসলাম। দ্বিতীয় পরিবেশনায় থাকবে প্রনব সরকার পরিচালিত গাইবান্ধার দল তাজমহল অপেরার ‘মানবী দেবী’। সাতক্ষীরা  যাত্রাদল দিগি¦জয়ী অপেরার ‘জল থেকে বলছি’। পালাটি পরিচালনা করেছেন এম এ রাজ্জাক।

 

আসরের ৪র্থ পরিবেশনা হিসেবে থাকছে নাটোরের যাত্রাদল পদ্মা অপেরার ‘কাজের মেয়ে ললিতা’ পালাটি পরিচালনা করেছেন সেলিম রেজা। এরপরই ময়মনসিংহের যাত্রাদল দি পলাশী অপেরা পরিবেশন করবে জাকির হাসান নির্মিত ‘সাত পাকে বাঁধা’।

 

রাত পোনে নয়টায় প্রদীপ কুমার পরিচালিত মানিকগঞ্জের নিউ জয়ন্তী অপেরার ‘নিজাম কুলি’ প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে উদ্বোধনী দিনের আয়োজন। ৬ষ্ঠ যাত্রা উৎসব-২০১৪ অংশগ্রহণকৃত সকল যাত্রাপালাগুলি সর্বস্তরের দর্শকদের জন্য থাকবে উন্মুক্ত। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী ইতোমধ্যে ৫টি পর্যায়ে ৬১টি যাত্রাদলকে নিবন্ধন প্রদান করেছে।